নিচের কোন জন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন?
নিচের কোন জন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন?
-
ক
দৌলত উজির বাহরাম খাঁ
-
খ
সাবিরিদ খাঁ
-
গ
সৈয়দ সুলতান
-
ঘ
সৈয়দ নূরুদ্দীন
সৈয়দ নূরুদ্দীন ছিলেন একজন বাংলাদেশী সাংবাদিক। সাংবাদিকতায় অবদানের জন্য তিনি ১৯৮৬ সালে মরণোত্তর বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক প্রদত্ত দেশের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক সম্মাননা একুশে পদকে ভূষিত হন।
সৈয়দ নূরুদ্দীন যুদ্ধকাব্যের রচয়িতা নন।
‘জঙ্গনামা’:
- জঙ্গনামা মধ্যযুগীয় বাংলা সাহিত্যে মুসলিম ঐতিহ্যভিত্তিক যুদ্ধবিষয়ক কাব্য।
- ফারসি ‘জঙ্গ’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ, আর ‘জঙ্গনামা’ শব্দের অর্থ যুদ্ধ বা তদ্বিষয়ক গ্রন্থ বা রচনা। অর্থ্যাৎ ‘জঙ্গনামা’ কাব্যের বিষয় যুদ্ধ-বিগ্রহ।
- বিশেষত হযরত মুহম্মাদ (স.) ও তাঁর স্বজনদের যুদ্ধই এ শ্রেণীর কাব্যের মূল বিষয়। যেসব যুদ্ধের ঘটনা ও পরিণাম অত্যন্ত করুণ ও মর্মান্তিক, সাধারণত সেসব যুদ্ধের কথাই মানুষকে বেশি আলোড়িত করে। - তাই আরবি-ফারসি সাহিত্যে যেমন, বাংলা সাহিত্যেও তেমনি ‘জঙ্গনামা’ বলতে বিশেষভাবে কারবালার যুদ্ধ ও তার বিষাদময় ঘটনাবলি সংক্রান্ত রচনাকেই বোঝায়।
প্রশ্নে উল্লিখিত কবিদের মধ্যে -
১. দৌলত উজির বাহরাম খান - কারবালার কাহিনি নিয়ে ‘জঙ্গনাম বা মক্তুল হোসেন’ নামে জঙ্গনামা বা যুদ্ধকাব্য রচনা করেছেন।
২. সাবিরিদ খাঁ - জঙ্গনামা জাতীয় যুদ্ধকাব্য বিষয়ক গ্রন্থ ‘হানিফা- কয়রাপরী’ রচনা করেছেন।
৩. সৈয়দ সুলতান - ‘জয়কুম রাজার লড়াই’ নামে যুদ্ধবিষয়ক কাহিনীকাব্য রচনা করেছেন।
অন্যদিকে,
সৈয়দ নুরুদ্দিন - মধ্যযুগের ইসলাম ধর্মীয় বিষয় নিয়ে কাব্য রচনা করেছেন; তিনি যুদ্ধকাব্য রচনা করেন নি।
- সৈয়দ নুরুদ্দিন মধ্যযুগীয় ধর্মসাহিত্যের কবি। চট্টগ্রামের মির্জাপুরে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।
- তাঁর জনৈক পূর্বপুরুষ সৈয়দ হাসান ষোলো শতকে গৌড় থেকে চট্টগ্রামে এসে বসতি স্থাপন করেন।
নুরুদ্দিন মোট চারখানা কাব্য রচনা করেন:
- দাকায়েকুল হেকায়েক:
ইমাম গাজ্জালির একই নামের বিশাল আরবি শাস্ত্রকাব্যের ভাবানুবাদ। এতে মৃত্যু, আজরাইল, রুহ, গোর-আজাব, ইস্রাফিল, কাফন, সাদকা ইত্যাদি সম্পর্কিত ২২টি ‘বাব’ বা অধ্যায় আছে।
- রাহাতুল কুলব বা কেয়ামতনামা:
কুরআন, হাদীস ও তাফসির থেকে বিষয় নিয়ে রচিত গ্রন্থ।
- বুরহানুল আরেফিন:
হিতোপদেশ সুফিতত্ত্বের কাব্য।
- মুসার সওয়াল:
প্রশ্নোত্তরমূলক ক্ষুদ্র কাব্য।
কারবালা-কেন্দ্রিক কাব্যের অপর নাম মর্সিয়া সাহিত্য।
- আরবি ‘মর্সিয়া’ শব্দের অর্থ শোক। শোকবিষয়ক রচনাকে মর্সিয়া সাহিত্য বা শোককাব্য বলা হয়। - অতএব জঙ্গনামা ও মর্সিয়া সাহিত্যের মধ্যে বিষয়গত মিল থাকলেও আঙ্গিক ও রসগত পার্থক্য আছে। - জঙ্গনামা ও মর্সিয়া সাহিত্য প্রথমত আরবে, পরে পারস্যে বিকাশ লাভ করে এবং মধ্যযুগে মুসলিম শাসনামলে এ সাহিত্যধারা বাংলাদেশে প্রবেশ করে।
- বাংলায় এ কাব্যধারা মধ্যযুগ থেকে আধুনিক যুগ পর্যন্ত প্রচলিত ছিল।
Related Question
View All-
ক
আনন্দ গীতি
-
খ
লোক গীতি
-
গ
শোক গীতি
-
ঘ
লালন গীতি
-
কধ্বনিতত্ত্ব0%0 votes
-
খঅর্থতত্ত্ব0%0 votes
-
গরূপতত্ত্ব67%2 votes
-
ঘবাক্যতত্ত্ব33%1 votes
-
ক
শোক বা আহাজারি
-
খ
বেদনা মিশ্রিত কাব্য
-
গ
শোক কাব্য
-
ঘ
দুঃখ
-
ক
ব্যাক্তিগত দঃখের কাহিনী কাব্য
-
খ
কারবালার কাহিনি নিয়ে রচিত কাব্য
-
গ
মধ্যযুগের শেষ পর্যায়ের কবিদের কলমযুদ্ধ
-
ঘ
মসুয়া সম্প্রদায়ের সাহিত্য
-
ক
হায়াত মাহমুদ
-
খ
মুহম্মদ খান
-
গ
জাফর
-
ঘ
মুহম্মদ কবীর
-
ক
আরবি
-
খ
উর্দু
-
গ
ফারসি
-
ঘ
তুর্কি
১ ক্লিকে প্রশ্ন, শীট, সাজেশন ও
অনলাইন পরীক্ষা তৈরির সফটওয়্যার!
শুধু প্রশ্ন সিলেক্ট করুন — প্রশ্নপত্র অটোমেটিক তৈরি!
Related Question
Question Analytics
মোট উত্তরদাতা
জন